নিজেশো প্রতিনিধি সুজাতা দে :সিভিক ভলেন্টিয়ার সুভাষ সাঁতরার সাথে মাত্র ৫ মাস বিয়ে হয়েছিল রিয়ার।আর এর মধ্যেই নববধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। স্বামী নাকি স্ত্রীকে সন্দেহ করত।সন্দেহ এতটাই চূড়ান্ত যে রিয়ার উপর মানসিক নির্যাতন করতেন সুভাষ।দিনের পর দিন সেই চাপ বেড়েই চলেছিল বলে অভিযোগ মৃতার পরিবারের।জানা যায়,বছর ২৯ এর রিয়া দাসের সাথে বিয়ে হয়েছিল বলাগড়ের রুকেসপুরের বাসিন্দা সুভাষের।সুভাষ রিয়ার থেকে বয়সে অনেকটাই বড়।প্রায় দিনই তাদের মধ্যে ঝামেলা লেগেই থাকত।অবশেষে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন রিয়া।যদিও বাপের বাড়ির অভিযোগ, রিয়াকে খুন করেছে সিভিক ভলেন্টিয়ার স্বামী।গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন রিয়া।ঘটনাস্থলে আসে পু*লিশ।মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়।মৃতার শাশুড়ি শোভা সাঁতরা বলেন, রাতে ছেলের সঙ্গে বউমার অশা*ন্তি হয়েছিল। কিন্তু তারপর তিনি আর কিছু জানেন না।
মৃতার মাসির দাবি, তাঁদের মেয়েকে মরতে বাধ্য করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই রিয়ার উপর মানসিক অত্যাচার চলত বলে অভিযোগ। প্রতিমুহূর্তে নাকি তাকে সন্দেহ করত স্বামী ও শাশুড়ি। তা নিয়ে অশান্তিও কম হয়নি। তার জেরেই এই পরিণতি।

