নিজস্ব সংবাদদাতা, শম্পা ঘোষ:
২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের ঘটনায় বিচার পাওয়ার দাবিতে এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। এই মামলাকে কেন্দ্র করে একের পর এক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর।
উল্লেখ্য, ওই মামলায় সিবিআই গত ২৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল, ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার স্বপন সমাদ্দার এবং ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার পাপিয়া ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। চার্জশিট দাখিলের পর থেকেই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্বজিৎ সরকার। তাঁর অভিযোগ, চার্জশিটের পর তাঁকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালানো হয়।
কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে পুলিশি নিরাপত্তা পেলেও সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী থানার তরফে দু’জন কনস্টেবলকে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে দেওয়া হলেও, বিশ্বজিৎ সরকারের দাবি, নিরাপত্তাকর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা ও আচরণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কখনও কখনও নিরাপত্তাকর্মী মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করেন, আবার কখনও তাঁদের আচরণ ও কথাবার্তায় অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়।
বিশ্বজিৎ সরকার জানান, নিজের এবং মায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি একাধিকবার নারকেলডাঙ্গা থানা ও ডিসি (ইস্ট) ডিভিশনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সন্তোষজনক সমাধান মেলেনি বলেই অভিযোগ।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই অভিযোগগুলি নিয়ে একাধিকবার থানায় জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের উদ্বেগ ও অভিযোগ প্রকাশ করেন বিশ্বজিৎ সরকার।

