তারাপীঠ মহাশ্মশান চত্বরে একটি গেস্ট হাউসকে ঘিরে ওঠা অভিযোগে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বীরভূম জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি নিখিল ব্যানার্জীর অভিযোগ, পিএইচই-র জল ট্যাংকের সংলগ্ন এলাকায় হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও নির্মিত ওই গেস্ট হাউস দীর্ঘদিন ধরে আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর গেস্ট হাউসের বিভিন্ন ঘর থেকে এসি, এলইডি টিভি, খাট-সহ একাধিক সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয় বলে দাবি বিজেপির। অভিযোগ অনুযায়ী, পাইকর এলাকার বাসিন্দা ও একটি এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত সুনীল রবিদাস মিস্ত্রিদের ওই সামগ্রী খুলে নেওয়ার নির্দেশ দেন। যদিও বাথরুমে লাগানো গিজার এখনও রয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, আগে থাকার উপযোগী করে সাজানো ঘরগুলিকে বর্তমানে বিভিন্ন সামগ্রী ভরে গোডাউনের রূপ দেওয়া হয়েছে, যাতে আবাসন হিসেবে ব্যবহারের প্রমাণ আড়াল করা যায়। বিষয়টি নিয়ে নিখিল ব্যানার্জী তারাপীঠ থানায় জানান এরপরে খবর পেয়ে তারাপীঠ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেস্ট হাউসটি পরিদর্শন করে। পুলিশ একাধিক ঘর খুলে দেখে এবং সেখানে উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তদন্ত চলাকালীন সুনীল রবিদাসের নাম উঠে আসে

